মেয়ে বিয়ে করেছিল হিন্দু ছেলেকে। বিয়ের পরে সে নিজেও হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছিল। এই অপরাধে বাবার দেহ কবর দিতে দিল না মৌলবিরা। মধ্যপ্রদেশের শেওপুরের এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরেই নিন্দার ঝড় উঠেছে।

ইদা খান নামে ওই ব্যক্তির মেয়ে রবিনা অভিযোগ করে বলেন যে, ‘আমি হিন্দু ছেলেকে বিয়ে করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছি বলে ধার্মিক গুরুরা আমার বাবার দেহ কবর দিতে বাধা দেয়। এরপর পুলিশের সাহায্যে আমার বাবার দেহকে কবর দিই আমি।”

রবিনা আরর জানায়, সে সবার কাছে অনুরোধ করলেও কেও তাঁর কথা শুনতে রাজি হয় নি। এরপর সে স্থানীয় পুলিশের সাহায্য চায়, কিন্তু কোতওয়ালি পুলিশও তাঁর কোন সাহায্য করে নি।

জানা গিয়েছে যে, মধ্যপ্রদেশের শেওপুরে সলাপুরায় আবু সৈয়দ কবরস্থানে ইদা খান নামে এক ব্যাক্তিকে কবর দেওয়ার সময় ঝামেলা তৈরি হয়। দেহ কবর দিতে এলে মৌলবিরা জানিয়ে দেয় যে, ওই ব্যাক্তির মেয়ে একটি হিন্দু ছেলেকে বিয়ে করেছে এবং বিয়ের পরে সে নিজে হিন্দু হয়ে গেছে।

যা মুসলিম ধর্ম বিরুদ্ধ। এই কারণে রবিবার যখন সলাপুরা কবরস্থানে তাঁর বাবা ঈদা খানের দেহ কবর দিতে যায় সে, তখন সেখানে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, এই কবরস্থানের জমি নিয়ে ওয়াকফ কমিটি আর ঈদা খানের মধ্যে মামলা চলছে। বিগত দিনে কবরস্থানের জমিতে বাড়ি বানানো নিয়ে প্রায় ৩০ জনের বিরুদ্ধে ইদা খানের মেয়ে রবিনা শর্মা অভিযোগ দায়ের করেছিল। রবিনা অভিযোগ করেছিল যে, মুসলিম ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করায় তাঁর ওপর চটেছেন মৌলবিরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.