সুশান্ত সিং মামলার তদন্তভার এখন সিবিআইয়ের হাতে৷ ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের বিশেষ দল পৌঁছে গিয়েছে মুম্বই৷ আবারও দফায় দফায় সকলকে জেরা করা হবে৷ তবে এরমধ্যেই আবার সুশান্তের রাঁধুনি নীরজের বয়ানে চাঞ্চল্য ছড়াল৷ কারণ তিনি জানিয়েছেন যে, সুশান্তের ঘরের দরজা ভাঙার পর, অভিনেতাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেছিলেন তিনি৷ তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরও ২ জন৷ ছিলেন সিদ্ধার্থ পাঠানি ও আরও একজন, দীপেশ৷ একটি সংবাদমাধ্যমে এমনই জানান নীরজ৷

নীরজ বলেন, সেদিন আমার কাছে ঠান্ডা জল চান সুশান্ত স্যার৷ তারপর তিনি ওপর নিজের ঘরেই ছিলেন৷ একতলায় ছিল খাবার ঘর, রান্না ঘর, অতিথিদের ঘর এবং আমাদের থাকার ব্যবস্থা৷ দোতলায় স্যার থাকতেন৷ সেখানে আমরা খুব একটা যেতাম না৷ শুধু জিজ্ঞাসা করা হত তিনি কী খাবেন, সেই মতো সব ব্যবস্থা করা হত৷ সেই দিনও আমি স্যারের সঙ্গে কথা বলে নীচে চলে আসি৷ আবার ৫ মিনিট পর যখন কী খাবেন তিনি জানতে ওপরে যাই, দেখি ঘর বন্ধ৷ সাধারণত তিনি একবার ডাকলে সাড়া না দিলে বুঝে যেতাম যে তিনি ব্যস্ত৷ আর ডাকতাম না৷ সেদিনও তাই হল৷ সাড়া দিলেন না৷

নীরজ আরও জানান যে রিয়ার সঙ্গে তাদের সামনে কখনও ঝগড়া করেননি সুশান্ত৷ রিয়া বাড়ি ছাড়েন শান্তভাবে৷ তাকেই রিয়া বলেছিলেন সব কাপড় গুছিয়ে দিতে৷ তবে শেষ ক’দিন সুশান্ত খুবই চুপচাপ থাকতেন বলে জানান নীরজ৷ বেশি কথা বলতেন না এবং ঘর থেকেও বেশি বাইরে আসতেন না প্র’য়া’ত অভিনেতা৷

অন্যদিকে সুশান্তের মৃ’ত্যু’তে তারা ৩ জন এতটাই হ’ত’ভ’ম্ব হয়ে গিয়েছিলেন যে একবার ওই দৃশ্য দেখার পর আর সেই ঘরে যাননি৷ সুশান্তের দেহ নামিয়েছেন সিদ্ধার্থ পাঠানি, এমনই জানান নীরজ৷ তবে সেই সময় কারও একটা ফোন আসে সিদ্ধার্থের কাছে৷ এবং ফোনের নির্দেশ দেওয়া হয় ঝুলন্ত দেহ নামিয়ে ফেলার৷

আপাতত সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে এদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে৷ আদৌ কি সুশান্ত সিং রাজপুত আ’ত্ম’হ’ত্যা করেছেন না কি তাঁকে হ’ত্যা করা হয়েছে ? সর্বপ্রথমে সিবিআইয়ের নজরে সুশান্তের সঙ্গে যুক্ত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ৷ সুশান্ত সিং রাজপুত যেই আবাসনে বসবাস করতেন সেই আবাসনেও যাওয়ার কথা আছে তদন্তকারী দলের ৷ গত ১৪ জুন বলিউডের তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃ’ত্যু হয় ৷ তারপর থেকেই তাঁর মৃ’ত্যু নিয়ে নানান জল্পনা শুরু হয়েছে ৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.