সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সেলেবদের জীবনেও দুঃখ কষ্ট আনন্দ ভালো লাগা সবটাই আছে। কিন্তু তাদের পান থেকে চুন খসলেই সেলবদের অন্দরমহলের যেকোনো তথ্য হয়ে যায় ভাইরাল।

আর ভাইরাল হয়ে যাওয়ার ভয় অপছন্দের জিনিসকেও হাঁসি মুখে মেনে নিতে হয় তাদেরকে। ঠিক যেমন চোখের সামনে বাবার বিয়ে দেখতে হয়েছে সারা আলি খানকে হাঁসিমুখে।

সারার বাবা সইফকে বিয়ে করার পর সম্পর্কের দিক থেকে করিনা কাপুর খান হলেন সারা আলি খানের সৎমা। তবে সৎ মার সঙ্গে সারার সম্পর্ক ঠিক কেমন?

সইফ আলি ও তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী অমৃতা সিংহের মেয়ে সারা আলি খান বলিউডে বেশ হইচই ফেলে দিয়েছেন ইতিমধ্যেই। তবে, একদিকে করিনা সারার সৎ মা অন্যদিকে সারা ও করিনা হলেন দুজন অসমবয়সী বন্ধু।

সইফ আলীর খানের সঙ্গে কারিনা কাপুরের বিয়ের পর থেকেই প্রথম স্ত্রীর ঘরের মেয়ে সারার সঙ্গে বেশ ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে বেবো’র। সইফের পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁদের এক সঙ্গে দেখা গিয়েছে অনেবারই।

সারার আর তার সৎ মায়ের কেমন সম্পর্ক সেই নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। অভিনেত্রীর কথায়, করিনা কখনও তাঁদের মা হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি।

আর তাই তাঁদের মধ্যে কখনও কোনও সমস্যা হয়নি। সারা করিনার সম্পর্ক মজবুত রাখার জন্য তিনটি কারণ আছে। প্রথমত, করিনা কখনও চেষ্টাই করেন না মা হয়ে ওঠার।

দ্বিতীয়ত, তাঁদের মায়ের জায়গা কেউ নিতে পারবে না কখনও। আর তৃতীয়ত, করিনা ভিষণ প্রফেশনাল সেই কারণে তাদের মধ্যে আজও সুসম্পর্ক।

এমনকি সারাকে তার মা অর্থাৎ সইফের প্রথম পক্ষের স্ত্রী অমৃতা তাঁদের বুঝিয়েছেন, মায়ের জায়গা কেউ নিতে পারে না। তাই অমৃতাই তাঁদের মা থাকবে আজীবন।

বাবার ভালোবাসা নিয়েও বেশ স্পষ্টবাদী সারা। সারার দাবি, তাঁকে বাবা সব থেকে বেশি ভালোবাসে। তার জন্য একটা কারণও দেখিয়েছে অভিনেত্রী।

সারার কথায় তার সঙ্গে সইফের পরিচয় সব থেকে বেশি দিনের। তার ভাইয়ের থেকে পাঁচ বছর বেশি, তৈমুরের থেকে ২১ বছরের বেশি। সইফের পাশাপাশি সে তার সৎ মা করিনাকেও যথেষ্ঠ ভালোবাসে।

কারণ সে তার বাবাকে ভালো রেখেছে বলে। বাইরে যাই রটুক না কেন তাদের পরিবার সকলের সাথে সকলের সুসম্পর্ক বলেই দাবি অভিনেত্রীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.