সতী মে’য়ে চেনার জন্য সাধারণত তেমন কোন লক্ষণ নেই। তবে মে’য়েদের ক্ষেত্রে ‘যো’নী এবং ব’ক্ষ দেখে মোটামুটি সতী মে’য়ে চেনা যায় তবে অনেক মে’য়ের বং’শগত ভাবেই “ব’ক্ষ” বড় থাকে।

এমনও ঘটনা দেখা গেছে যে, একটি মে’য়ের ব’ক্ষ বেশ বড়, কিন্তু কোন ছে’লেকে কি’স করা তো দূরের কথা, কখনো মা’স্টা’রবে’ট এবং সে’ক্স পর্যন্ত করেনি।

তার মানে কী এই দাড়াঁবে যে, মে’য়েটি সতী’ত্ব হারিয়েছে? মোটেই নয়। আবার এমনও ঘটনা রয়েছে যে, কোন মে’য়ে তার জীবনে প্র’থম সে’ক্স করেছে, কিন্তু কোন হয়নি। তার মানে কিন্তু এই নয় যে, আপনার আগে কোন পু’রুষ তার স’তী’ত্ব নিয়েছে।

তবে আসলেই স’তী মে’য়ে চেনার তেমন কোন লক্ষণ নেই। তবুও নিম্নে সতী মে’য়ে চেনার কয়েকটি লক্ষণ তুলে ধরা হলোঃ

যো’নীঃ ল্যা’বি’য়া মে’জরা অর্থাৎ বাইরের পাপড়ি প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে একসাথে লেগে থাকবে এবং যো’নী’মু’খ দেখা যাবেনা।

ল্যা’বি’য়া মা’ই’নরা অর্থাৎ ভিতরের পাপড়িও স’ম্পূর্ণভাবে ব’ন্ধ থাকবে এবং ল্যা’বি’য়া মে’জরা দিয়ে ঢাকা থাকবে পুরোটাই। ল্যা’বি’য়া মে’জরা না সরালে দেখা যাবেনা। হা’ই’মে’ন অর্থাৎ স’তি’চ্ছে’দ অ’ক্ষত থাকবে।

যদিও অনেক কারনেই ছিঁড়ে যেতে পারে। এটি ছিঁড়লে সাধারণত র’ক্ত’ক্ষ’রণ হয়। ল্যা’বি’য়া মা’ই’নরার নিচের প্রান্ত একত্রে থাকবে। ক্লা’ই’ট’রিস / ক্লি’টো’রিস খুব ছোট এবং এর আবরণকারী চা’মড়াও পাতলা হবে। যো’নী প’থ সরু এবং ভিতরের ভাঁ’জ গুলি কম মসৃণ হবে। ভা’জ অনেক বেশি হবে।

স্ত’নঃ স্ত’ন ছোট হবে। চ্যা’প্টা হবে, গোল নয়। দৃঢ় হবে, তুলতুলে নয়। নি’প’লের চারপাশে যে গাঢ় অংশ থাকে তার র’ঙ গো’লাপি থেকে হালকা বাদামী রঙ এর মতো হবে (কম গাঢ় র’ঙ হবে) এবং এই অংশ আয়তনে ছোট হবে। নি’প’লের আকার ছোট হবে।

সি’উ’ডো’ভা’রজি’নঃ অনেক সময় অনেক মে’য়ের কয়েকবার যৌ’ন মি’ল’নের পরেও হা’ই’মে’ন বা স’তী’চ্ছদ অ’ক্ষ’ত থাকে। এদের সি’উ’ডো’ভা’রজি’ন বা ন’কল ভা’র্জি’ন বলা হয়। তবে এর হার অনেক কম।

সাধারণত এভাবেই একটা মে’য়ের ভা’র্জি’নটি চি’হ্নিত করা যায়। তবে যেসব মে’য়ে বেশি খেলাধুলা/ শরীরচর্চা করে, সাইকেল/মোটরসাইকেল চালায়, ঘোড়ায় চড়ে এবং হ’স্ত’মৈ’থুন করে তাদের হা’ই’মে’ন বা স’তী’চ্ছ’দ ছিঁ’ড়ে যাওয়ার স’ম্ভাবনা বেশি।

আপনার প্রে’মিকা বা স্ত্রী- প্রে’ম কমবেশি প্রতিটি পুরুষের জীবনেই আসে। কিন্তু স’ঙ্গি’নীর কাছ থেকে একনি’ষ্ঠ ভালবাসা পাওয়ার সৌ’ভাগ্য হয় না সমস্ত পুরুষের।

অনেক সময়েই দেখা যায়, কোনো মেয়ে এক পু’রুষের স’ঙ্গে স’ম্পর্কে থাকা স’ত্ত্বেও জড়িয়ে পড়েন অন্য পু’রুষের সঙ্গে। বিষয়টি তিনি গোপন রাখেন তার প্রথম প্রে’মিকের কাছে। সেক্ষেত্রে আপনার প্রে’মিকা বা স্ত্রী কিংবা স’ঙ্গি’নী ভালবাসায় আপনাকে ঠ’কাচ্ছেন কিনা,

তা কি বোঝার কোনো উপায় রয়েছে কী?

রি’লেশ’নশিপ ম্যা’নেজ’মেন্ট গ্রুপ ওয়া’র্ল্ড অফ অ্যা’মোর জানাচ্ছে, একটি মেয়ে ভালবাসায় প্র;তারণা করছে কিনা তা ৬টি লক্ষণ দেখে বোঝা সম্ভব।

কী রকম? আসুন, জেনে নেওয়া যাক-

১. গা ছাড়া মনোভাব : মেয়েরা প্রকৃতিগতভাবেই যে কোনো স’ম্পর্কের প্রতি অত্যন্ত য’ত্নবান। আপনি কখন অফিস থেকে বাড়ি ফিরছেন, কখন খাচ্ছেন, সেগুলো যেমন নজরে রাখেন তারা, তেমনই আপনি তার জন্মদিন মনে রাখছেন কিনা, কিংবা দিনে কতবার ফোন করছেন বা মেসেজ করছেন-সেগুলোও তারা খেয়াল করেন।

যখন তাদের জীবনে আপনি ছাড়া দ্বিতীয় পুরুষ প্রবেশ করেন, তখন স্বাভাবিক ভাবেই এই বিষয় গুলোর প্রতি প্রতি তাদের নজর কমে যায়। সম্পর্কের প্রতি একটা গা ছাড়া মনোভাব এসে যায়।

২. পোশাক-আশাকে আক’স্মি’ক জাঁ’ক’জমক : কোনো মেয়ে যখন প্রথম প্রথম কোনো স’ম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তখন স্বা’ভাবিকভাবেই নিজেকে যতটা সম্ভব সুন্দর করে তোলার দিকে তার নজর থাকে। সুন্দর পোশাকে নিজেকে সাজিয়ে তোলা, উপযু’ক্ত প্র’সাধন ব্যবহার করা-এসবের দিকে মনোযোগী হন তিনি।

কিন্তু সম্পর্কের বয়স একটু বাড়ার পর প্রে’মি’কের সঙ্গে বেরনোর সময়ে তাদের সাজগোজের বহর একটু কমে যায়।

যদি দেখা যায়, হঠাত্‍ করে আপনার স্ত্রী বা প্রে’মি’কার সাজগোজ পোশাক-আশাকে আবার হঠাত্‍ করে চাকচিক্য বেড়ে গিয়েছে, তাহলে এমন সম্ভাবনা রয়েছে যে, তিনি অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন।

৩. ভবিষ্যত্‍ স’ম্পর্কে উ’দাসী’নতা : যে কোনো মেয়েই নিজের প্রে’ম-স’ম্পর্কের ভবিষ্যত্‍ বিষয়ে সচেতন হন। নিজের প্রে’মিকের সঙ্গে ফি’উচার প্ল্যা’ন নিয়ে আলোচনা করে এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে চান।

কিন্ত হঠাত্‍ যদি দেখেন, আপনার প্রে’মিকা আপনাদের স’ম্পর্কের ভবিষ্যত্‍ নিয়ে তেমন কোনো উ’চ্চবা’চ্য করছেন না আর,

কিংবা আপনি বিয়ে বা বিবাহ-পরবর্তী জীবন নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন, তাহলে মোটামুটি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন যে, তার জীবনে অন্য ভালবাসার মানুষ এসে গিয়েছেন।

৪. শা’রীরিক ঘ’নিষ্ঠতায় অনীহা : প্রে’ম যে শুধু মনে সীমাবদ্ধ থাকে না তা বলাই বাহুল্য। যে মেয়ে আপনাকে ভালবাসেন তিনি আপনার শা’রীরিক সা’ন্নি’ধ্যও উপভোগ করবেন।

কিন্তু হঠাত্‍ করে যদি দেখেন, শ’রীরী প্রে’মে আপনার স’ঙ্গি’নীর অ’নী’হা জাগছে, তিনি কাছে আসতে চাইছেন না আপনার, তাহলে এমনটা হতেই পারে যে, তার জীবনে এসে গিয়েছেন কোনো দ্বিতীয় পুরুষ।

৫. স’র্বক্ষণের ব্য’স্ততা : কাউকে এড়ানোর সবচেয়ে সহজ রাস্তা ব্য’স্ততার ভা’ন করা। যদি দেখেন, আপনার প্রে’মিকা বা স্ত্রী হ’ঠাত্‍ করেই খুব ব্য’স্ততায় ডুবে গিয়েছেন, তাহলে সেটা আপনাকে এড়িয়ে যাওয়ার ছলও হতে পারে।

‘সামনে এ’ক্সা’ম, তাই ফোন করতে পারছি না’, ‘অফিসে মিটিং, তাই দেখা করতে পারছি না’-এই জাতীয় অ’জু’হাত যদি তিনি দিতে শুরু করেন, তাহলে আপনাকে এড়িয়ে তিনি অন্য কোনো পুরুষকে সময় দিচ্ছেন কিনা, সেটা যাচাই করে দেখুন।

অবশ্য তিনি সত্যিই হঠাত্‍ ব্য’স্ত হয়ে পড়েছেন কি না, সেটাও আপনাকে বুঝে নিতে হবে।

৬. নিজের কা’জক’র্ম স’ম্পর্কে গোপনীয়তা : আপনার প্রে’মিকা বা স্ত্রী কখন কোথায় যাচ্ছেন, কী করছেন, কিংবা কার সঙ্গে দেখা করছেন সেই বিষয়ে কি হঠাত্‍ করে গো’প’নীয়তা র’ক্ষা করতে শুরু করেছেন, স্প’ষ্ট করে কিছু বলতে চাইছেন না? তাহলে এমন সম্ভাবনা প্রবল যে, তিনি আপনাকে লুকিয়ে অন্য কোনো পুরুষকে স’ঙ্গ দিচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.